Shop - এহইয়াউ উলুমিদ্দীন (সকল [৫] খন্ড)

-20%
এহইয়াউ উলুমিদ্দীন
Yahia Ulumuddin 11

এহইয়াউ উলুমিদ্দীন (সকল [৫] খন্ড)

৳ 1,264.00

হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালী (রহ.)
অনুবাদক : মাওলানা মুহিউদ্দীন খান

Share This Book

FacebookTwitterPinterestLinkedinEmail

Description

ইমাম সাহেবের কৃচ্ছ্রাতাপূর্ণ তাপস জীবনেরই সর্বাপেক্ষা মূল্যবান ফসল এহইয়াউ উলুমিদ্দীন (সকল [৫] খন্ড)” বা দ্বীনি এলমের সঞ্জীবনী সুধা। এ গ্রন্থে ইসলামী এলেমের প্রতিটি দিক পবিত্র কোরআন-সুন্নাহ, যুক্তি ও অনুসরণীয় মনীষীগণের বক্তব্য দ্বারা যেভাবে বোঝানো হয়েছে। এমন রচনারীতি এক কথায় বিরল।

বিশেষতঃ এ গ্রন্থটির দ্বারাই ইমাম সাহেব ‘হুজ্জাতুল ইসলাম’ বা ইসলামের যুক্তিঋদ্ধ কন্ঠ উপাধিতে বরিত হয়েছে। সমগ্র মুসলিম উম্মাহ তাঁকে একজন ইমামের বিরল মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছে।

এ মহাগ্রন্থের প্রভাবেই হিজরী ৬ষ্ঠ শতকের সূচনাকালে ইসলামের ইতিহাসে একটা উল্লেখযোগ্য পটপরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। নূরুদ্দীন জঙ্গী, সালাহউদ্দীন আইয়ূবী প্রমুখ ইসলামের বহু বীর সন্তান-যাঁদের নিয়ে মুসলিম উম্মাহ গর্ব করে থাকে। এরা সবাই ছিলেন ”ইমাম গাযযালী”র ভাবশিষ্য এবং ”এহইয়াউ উলুমিদ্দীন”-এর পাঠক ।

এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ১ম খন্ড ৩৫০/-টাকা
এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ২য় খন্ড ৩৫০/-টাকা
এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ৩য় খন্ড ২৮০/-টাকা
এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ৪র্থ খন্ড ৩৫০/-টাকা
এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ৫ম খন্ড ২৫০/-টাকা
হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালী (রহ.)
অনুবাদক : মাওলানা মুহিউদ্দীন খান

মুদ্রিত মূল্য =১৫৮০ টাকা,

বিক্রয় মূল্য =১২৬৪ টাকা।

সূচিপত্র পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

 

2 reviews for এহইয়াউ উলুমিদ্দীন (সকল [৫] খন্ড)

  1. 5 out of 5

    Erfan uddin

    ইমাম গজ্জালী (রহ.) কে বলা হয় হুজৃজাতুল ইসলাম তথা ইসলামের দলীল।অজ্ঞতার চাদরে ঢেকে পড়া দ্বীনি ইলমকে তিনি পুনঃজীবিত করেছেন।ইসলামী ইমান-আকিদা-আমলের উপর বিভিন্ন বিষয়ে তিনি লেখালেখি করেছেন।তাঁর লেখাগুলো হাল আমলেও বেশ প্রাসঙ্গিক এবং আলোচিত।

     

    ইমাম গজ্জালী রচিত “এহইয়াউ উলুমুদ্দীন” সর্বকালে চিরপ্রাসঙ্গিক একটি বই।দীর্ঘ কয়েক শতাব্দী পেরিয়ে বইটি আজও মুসলিম মানসে দ্বীনের পাথেয় যোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার সাময়িক ভোগসর্বস্বে ডুবে থাকা মুসলিম জাতির উত্থানকল্পে তিনি রচনা করেন “এহইয়াউ উলুমুদ্দীন” নামক অমূল্য এ গ্রন্থটি।কুরআন-হাদীসের সুস্পষ্ট দলীল এবং ইসলামী পান্ডিত্যের অধিকারী সর্বযুগে গ্রহণযোগ্য মনীষীগণের বক্তব্যের সমন্বয়ে এ কিতাবটি রচনা করেন।একজন মুসলমান দ্বীনের সঠিক পথে ইস্তাকামাত থাকতে যেসব প্রয়োজনীয় বিষয়ের সম্মুখীন হতে হয়,সব বিষয় নিয়ে তিনি এ গ্রন্থে আলোচনা করেন।

    বলাবাহুল্য,তিনি “এহইয়াউ উলুমুদ্দীন” নামক এ গ্রন্থ রচনার কারণেই “হুজ্জাতুল ইসলাম” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।  

  2. Mohammad Shaiful Islam

    এহইয়াউ উলুমিদ্দীন
    ঈমাম গাজ্জালী (ﺭﺣﻤۃ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ)

    সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মুসলিম দার্শিনক ইমাম আবু হামেদ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-গাজ্জালী (ﺭﺣﻤۃ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ) এর রচিত #এহইয়াউ_উলুমিদ্দীন বিগত আট শতাধিক বছর ধরে সমগ্র মুসলিম জাহানে সর্বাধিক পঠিত একটি মহাগ্রন্থ। ওনার এ অমর গ্রন্থ যেমন এক সময় পথভ্রান্ত মুসলমানদের মধ্যে নতুন জাগরণের সৃষ্টি করেছিল, তেমনি আজ পর্যন্তও মুসলিম মানসে দ্বীনের সঠিক চেতনা সৃষ্টির ক্ষেত্রে এ গ্রন্থটিকে অনন্য এর অপ্রতিদ্বন্দ্বীরূপে গন্য করা হয়।

    ইমাম সাহেবের এ কৃচ্ছ্রতাপূর্ণ তাপস জীবনেরই সর্বাপেক্ষা মূল্যবান ফসল #এহইয়াউ_উলুমিদ্দীন বা দ্বীনি ইলমের সঞ্জীবনী সুধা। এ গ্রন্থে ইসলামী ইলমের প্রতিটি দিক পবিত্র কুরআন-সুন্নাহ, যুক্তি ও অনুসরণীয় মনীষীগনের বক্তব্য দ্বারা যেভাবে বুঝানো হয়েছে, এমন রচনারীতি এক কথায় বিরল।

    বিশেষতঃ এ গ্রন্থটির দ্বারাই ইমাম সাহেব ‘#হুজ্জাতুল_ইসলাম বা ইসলামের যুক্তিঋদ্ধ কন্ঠ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। সমগ্র মুসলিম উম্মাহ তাঁকে একজন ইমামের বিরল মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছে।

    এ মহাগ্রন্থের প্রভাবেই হিজরী ৬ষ্ঠ শতকের সূচনাকালে ইসলামের ইতিহাসে একটা উল্লেখযোগ্য পটপরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
    নূরুদ্দীন জঙ্গী, সালাউদ্দীন আইয়ূবী প্রমুখ ইসলামের বহু বীর সন্তান- যাঁদের নিয়ে মুসলিম উম্মাহ গর্ব করে থাকে, এরা ছিলেন ইমাম গাজ্জালী (ﺭﺣﻤۃ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ) এর ভাবশিষ্য, #এহইয়াউ_উলুমিদ্দীন এর ভক্ত পাঠক।

    ৮’শত বছর আগে রচিত ইমাম গাজ্জালী (ﺭﺣﻤۃ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ) এর এহইয়াউ উলুমিদ্দীন সম্পর্কে এক কথায় বা একটা পোষ্টের মাধ্যমে বলা সম্পূর্ণ ই অসম্ভব। ইসলামে পুরপুরি প্রবেশ করা বলতে যা বুঝায় আর যত কিছু প্রয়োজন, আলহামদুলিল্লাহ সব কিছুই এই কিতাবে স্থান পেয়েছে।

    ফরজ উলুম বা ধর্মী যেসব বিষয়ে জ্ঞানার্জন করা সকল মুসলিমের উপর ফরজ, তার সম্পূর্ণ আলোচনা ই এই কিতাবে পেয়ে যাবেন।

    আসুন উক্ত কিতাবের ৫ম খন্ডে একটু দৃষ্টিপাত করি…..

    হুমায়দ তবীল সোলায়মান ইবনে আলী (ﺭﺣﻤۃ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ) কে বললেন, আমাকে কিছু উপদেশ দিন, তিনি বললেনঃ-

    যখন তুমি গুনাহ কর, তখন তোমার মধ্যে দু’টির মধ্যে থেকে যেকোন একটি ধারনা থাকে- হয় এই ধারনা থাকে যে, আল্লাহ তা’আলা তোমাকে দেখছেন। এরূপ হলে তুমি নিঃসন্দেহে দুঃসাহস কর।
    না হয় এই ধারনা থাকে যে, আল্লাহ তা’আলা তোমাকে দেখেন না। এরূপ হলে তুমি নিঃসন্দেহে কাফের।

    ফারকাদ সনজী (ﺭﺣﻤۃ ﺍﻟﻠﮧ ﻋﻠﯿﮧ) বলেন, মুনাফিক এদিক-ওদিক তাকায়। যখন কাউকে দেখে না, তখন দ্রুত গোহাহের পথে পা বাড়ায়। কিন্তু সে কেবল মানুষকেই ভয় করে, আল্লাহর প্রতি লক্ষ্য করে না।
    এহইয়াউ উলুমিদ্দীন, খন্ড-৫ম, পৃ-১৮৫

    সবার প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ থাকবে, নিজের জন্য, নিজের পরিবারের জন্য, নিজের আওলাদ কে জাহান্নাম থেকে বাচানোর জন্য কিতাবখানা সংগ্রহ করুন। নিজ ঘরে রাখুন। আপনার ঘরে উপন্যাস আর নাটকের বই থাকলে পরিবারের ছোট বড় সবাই এই সব বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট হবে। আর ঘরে ধর্মীয় কিতাব রাখলে পরিবারের ছোট বড় সবাই ধর্মীয় কিতাব পড়ার প্রতি আকৃষ্ট হবে।

    আমি কখনো ই কথা বলি নি বা বলবো না যে, উপন্যাস বা বিজ্ঞানবিত্তিক বই পড়ার প্রয়োজন নাই। একজন মানুষের ভিত্তি বা গোড়া যেমনটা হবে, সে দুনিয়ার সব কিছু ই সেই জ্ঞানের দ্বারা জাস্টিফাই করবে।

    ছোট করে যদি বলি, কারো ধর্মীয় জ্ঞান থাকার পর সে যদি উপন্যাস পড়ে, অন্তত সে উপন্যাসের কোন অংশ গ্রহনযোগ্য আর কোন অংশ বাতিল তা সহজেই জাস্টিফাই করতে পারবেন।

    আর আজকের বিজ্ঞানের দিকে তাকান, এমন কোন জিনিস নাই যেটা ধর্মকে বাদ দিয়ে বা ধর্মীয় আদলে নয়। আপনি চাইলে প্রতিটা জিনিস কে কুরআন থেকে ব্যাখ্যা দিতে পারবেন যদি আপনার যথেষ্ট জ্ঞান থাকে। আজ আমরা পিছিয়ে আছি কারন আমরা গবেষণা করি না, কুরআন রিচার্ড করিনা।


Add a review

You may also like…

You've just added this product to the cart:

Call Now Button